টাইফয়েড রোগের লক্ষন ,প্রতিকার ও চিকিৎসা

ফলমূল, তরিতরকারি ও আইসক্রিম এ সকল জীবাণু থাকে । আক্রান্ত রোগীর মলমূত্র পানির সংস্পর্শে এসে জীবাণু ও রোগের বিস্তার ঘটায় । জীবাণুগুলো মানব দেহের ক্ষুদ্রান্তে বাসা বাঁধে এবং ক্ষতের সৃষ্টি করে। জীবাণুগুলো হতে বিষাক্ত পদার্থ রক্তে মিশে জ্বরের সৃষ্টি করে।

লক্ষন:

১। জ্বর থাকবে, তবে জ্বরের তারতম্য হতে পারে;
২। জ্বর বেশি উঠলে শ্বাস নিতে কষ্ট হবে ও হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসে;
৩। নাড়ির গতি দূত ও দুর্বল থাকে;
৪। চোখ লাল হয়ে উঠে ;
৫। হঠাৎ জ্বর শুরু হবে এবং ৪-৫ দিন একটানা থাকবে ;
৬। মাথাব্যথা, অসুস্থভাব , হাত-পায়ে ব্যথা , তন্দ্রাভাব , কাশি থাকতে পারে এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে ;
৭। দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে নাড়ির গতি বাড়বে না ;
৮‌। দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতে উপরের পেট ও পিঠে রাস দেখা দিবে ;
৯। বৄংকাইটিস ও ডিলিরিয়াম বা পূলাপ বকা দেখা দিতে পারে ;

ক্লিনিক্যাল লক্ষন:

১। ধীরে ধীরে মাথা ব্যথা বৃদ্ধি পাওয়া ;
২। অবিরাম জ্বর-
৩। হুদস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া ;
৪। বুকে , পেটে , লাল লাল ঘামাচির মতো দানা দেখা দেয় ;
৫। ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য ;
৬। জ্বর খুব বেশি হলে বিপজ্জনক হবে কারণ এর থেকে খিঁচুনি এমনকি স্থায়ীভাবে মস্তিষ্কের ক্ষতি , পক্ষাঘাত , মৃগী ইত্যাদি হতে পারে ;

জটিলতা সমূহ :

১। পারফোরেসন বা ক্ষুদ্রান্তে ছিদৃ হয়ে যাওয়া ;
২। রক্তক্ষরণ বা হেমোরেজ হওয়া ;
৩। পিওথলিতে পূদাহ ;
৪। নিউমোনিয়া , মায়োকাডাইটিস , মেমিনজাইটিস ;
৫। বধিরতা , অন্ধত্ব ;
৬। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে ;

পরামর্শ :

১। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে ;
২। রোগীকে পুরোপুরি বিশ্রামে রাখতে হবে ;
৩। চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে ;
৪। যদি অতিরিক্ত জ্বরে রোগী অঙ্গান হয়ে যায় , তবে এক টুকরো কাপড় গোলাপ জল এবং সিরকায় ভিজিয়ে কপালে পানি পট্টির মতো ব্যবহার করুন । এছাড়াও মাথায় আইসব্যাগ রাখুন । বার বার মাথায় পানি ঢালুন । তোয়ালে ভিজিয়ে বার বার শরীর মোছাতে হবে , বিশেষ করে কুচকি , তলপেট , বগল , গলা ইত্যাদি যায়গাগুলো ;
৫। ভেজাল , দূষিত খাদ্য এবং দূষিত পানি পরিহার করতে হবে ;
৬। টাইফয়েড জ্বরের প্রতিষেধক নিতে হবে ;

চিকিৎসা:

cap. Nimulant 2+0+2
Syp. Safi 2+0+2
Syp.Fevnil 2+0+2
Tab. Hanpy 2+0+2

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *